নব্বইয়ের দশকে মায়ানগরী মুম্বইয়ের অন্যতম চর্চিত ও চাঞ্চল্যকর বিষয় ছিল চিরসবুজ অভিনেত্রী রেখা এবং ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমারের সম্পর্কের গুঞ্জন। বয়সের বিশাল ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন পেজ-থ্রির পাতায় তাঁদের এই রসায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন জলঘোলা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম বিখ্যাত এক রোম্যান্স-বিতর্ক হিসেবে জায়গা করে নেয়।
ঘটনার সূত্রপাত: ‘খিলাড়িওঁ কা খিলাড়ি’ (১৯৯৬)
-
সেটের রসায়ন: ১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘খিলাড়িওঁ কা খিলাড়ি’ ছবির শুটিং চলাকালীন এই খবরের জন্ম। ছবিতে অক্ষয়ের নায়িকা ছিলেন রবিনা ট্যান্ডন এবং রেখা অভিনয় করেছিলেন এক প্রভাবশালী ও খল চরিত্রে।
-
রেখার বিশেষ নজর: সিনেমার সাময়িকীগুলির দাবি অনুযায়ী, শুটিংয়ের সময় নবাগত ও সুপুরুষ অক্ষয়ের প্রতি বিশেষ অনুরাগী হয়ে পড়েন রেখা। তিনি শুটিং সেটে অক্ষয়ের জন্য বাড়ি থেকে নিজের হাতে রান্না করা খাবার নিয়ে আসতেন এবং অভিনেতার সঙ্গে অতিরিক্ত সময় কাটাতেন।
রবিনা ট্যান্ডনের ক্ষোভ ও ত্রিকোণ প্রেম
তৎকালীন সময়ে অক্ষয় কুমার ও রবিনা ট্যান্ডনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলিপাড়ার ওপেন সিক্রেট। ফলে রেখা ও অক্ষয়ের এই সমীকরণ স্বাভাবিকভাবেই এক ত্রিকোণ প্রেমের টানাপোড়েন তৈরি করে:
-
সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ: সেটে রেখার অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা মেনে নিতে পারেননি রবিনা। পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, পেশাদার খাতিরে অক্ষয়কে সব পরিস্থিতি সামলাতে হলেও রেখা নাকি নিজের সীমা অতিক্রম করছিলেন।
-
সতর্কবার্তা: শোনা যায়, অক্ষয়ের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য রেখাকে সরাসরি বার্তাও দিয়েছিলেন রবিনা।
বিতর্কের পরিণতি
বিশাল বিতর্ক তৈরি হলেও এই বিষয়ে রেখা নিজে কখনও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। অন্যদিকে অক্ষয় কুমারও নিজেকে এই ধরনের গুঞ্জন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। ছবির কাজ ও প্রচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে সময়ের নিয়মে এই খবরের তীব্রতা কমে যায়। পরবর্তীতে স্পষ্ট হয় যে, এটি কেবল পেশাদার সুসম্পর্ক ও একপাক্ষিক ভালোলাগার ওপর ভর করে তৈরি হওয়া বিতর্ক ছিল, যা স্থায়ী প্রেমের রূপ নেয়নি।



By










