দেবজিৎ মুখার্জি: এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচন তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে। দুটিতেই শেষ হাসি হাঁসতে গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে থালাপতি বিজয়ের সামনে একাধিক লোভনীয় প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভোট ঘোষণার আগে তাঁকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল উপমুখ্যমন্ত্রী পদের পাশাপাশি ২৩৪টি আসনের ৮০টি ছেড়ে দেওয়ার। ঘোষণার পর প্রস্তাব দেওয়া হয় অর্ধেক সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার ও ৫০% আসন ছেড়ে দেওয়ার। কিন্তু কোনটাতেই কাজ হয়নি। একলাই লড়বে তাঁর দল।
সম্প্রতি, এক অনুষ্ঠানে বিজয় পরিষ্কার করে দেন যে তিনি কারোর সঙ্গে জোটে যাচ্ছেন না। তবে অনেকের মনেই এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল যে শেষ মুহূর্তে পালটি খাবেন না তো বিজয়। কিন্তু তা হয়নি। পুদুচেরির ৩০টি আসনেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে টিভিকের তরফ থেকে। তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই হবে বলে অনুমান করা যাচ্ছে।
বিষয়টি হচ্ছে প্রথমবার ভোটের ময়দানে নামছে বিজয়ের দল টিভিকে। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে নেমে অল্প সময়ের মধ্যেই চরম জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে তারা। সেটিকেই কাজে লাগাতে একের পর এক বড় লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিজেপির তরফ থেকে বিজয়কে। গেরুয়া শিবিরের মতে, তাঁর ভক্তদের যদি অন্তত ২ শতাংশও তাদের দখলে আসে, তাহলে চিত্র পাল্টে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হচ্ছে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে একলা চলার সিদ্ধান্তের জেরে বিজয়ের জনপ্রিয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা, দুটিই বৃদ্ধি পাবে। এবার দেখার বিষয় যে রাজনীতির ময়দানে নেমে ছক্কা হাকাতে পারেন কিনা থালাপতি।



By











