নিউজ ডেস্ক: ইরান ও ইসরাইল-আমেরিকার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে ব্যাপক তোলপাড় চলছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে ইসরাইল ও আমেরিকার তরফ থেকে এবং যেভাবে তার জবাব দিয়ে চলেছে ইরান, তা দেখে চিন্তিত গোটা বিশ্ব। প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এই যুদ্ধ দ্রুত থামানোর। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, উগ্র থেকে উগ্রতর হয়ে উঠছে পরিস্থিতি, যা আরো চাপ বাড়াচ্ছে একাধিক দেশের।
এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একপ্রকার হত্যার হুমকি দিয়ে বসলেন ইরানের ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আবদুল্লা জাভাদি আমোলি। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, ঝরাতে হবে ট্রাম্প এবং ইহুদিদের রক্ত। শুধু তাই নয়, আমেরিকাকে অত্যাচারী তকমা দিয়ে তিনি দাবি করেন যে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, এমন মন্তব্যকে ঘিরে যে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।
আমোলির তরফ থেকে সংবাদমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা এক বড় পরীক্ষার সম্মুখে আছি। রক্ষা করতে হবে আমাদের ঐক্যকে। সুতরাং এখন সতর্ক থাকতে হবে আমাদের।” এরপরই তিনি হুমকি দিয়ে বসেন। আমোলির বক্তব্য, “ঝরাতে হবে ট্রাম্প এবং ইহুদিদের রক্ত। আমাদের লড়াই চলছে অত্যাচারী আমেরিকার বিরুদ্ধে।”
প্রসঙ্গত, শীর্ষ নেতৃত্ব, পারমাণবিক স্থান ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলির ধ্বংস করার লক্ষ্যে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় ইসরাইল ও আমেরিকা। ইসরাইলের তরফ থেকে এটিকে নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন রোরিং লায়ন এবং আমেরিকা নাম দিয়েছে অপারেশন এপিক ফিউরি। এই হামলার জেরে প্রাণ হারান দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সহ আরো অনেকে।
তবে পাল্টা জবাব দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফ থেকেও। তারাও ইসরাইল ও মিডিল ইস্টে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে। এখনো হামলা চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকেও শত্রুতা পরিণত করে ফেলছে ইরান। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর তরফ থেকে এই ব্যাপারে অবস্থান জানানো হয়েছে। তবে এই যুদ্ধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে আর কি হয়।



By














