দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই পাল্টাতে শুরু করেছিল বাংলার পরিস্থিতি। বলা ভালো, দিনদিন যুদ্ধের ময়দানের চেহারা দিচ্ছে গোটা রাজ্য। গদি দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ছে ভোটারদের প্রতিদিন। এক কথায় বলতে গেলে, গোটা বাংলা জুড়ে এই মুহূর্তে বইছে ভোটের হাওয়া। প্রায় সকলেরই আগ্রহ এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচনকে ঘিরে।
এমন পরিস্থিতিতে বাংলার মাটিতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। মার্চ মাসের প্রথম দিন থেকে পাঁচ জায়গা থেকে এই যাত্রা শুরু হবে। দ্বিতীয় দিন হবে আরও ৪ জায়গায়। তবে ভোটের আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভোটারদের মনে দাগ কাটার লক্ষ্যে সমস্ত কর্মসূচিতে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির নেতাদের আনার কথা জানানো হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে।
রাজ্য বিজেপি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে প্রথম দিন, অর্থাৎ মার্চ মাসের ১ তারিখ, কোচবিহারে উদ্বোধনে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। রায়দিঘিতে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কৃষ্ণনগরে প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা, গড়বেতায় ধর্মেন্দ্র প্রধান ও কুলটিতে থাকবেন অন্নপূর্ণা দেবী। দ্বিতীয় দিনেও চমক রয়েছে। ইসলামপুরে থাকবেন নিতিন নবীন, আমতায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, হাসনে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ ও সন্দেশখালিতে থাকবেন শিবরাজ সিং চৌহান।
গেরুয়া শিবির চাইছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যান্য রাজ্যে দলের হেভিওয়েটদের কাজে লাগাতে। জানা যাচ্ছে, গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যে রাজ্যে দীর্ঘদিন বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে বা সদ্য এসেছে, এখান থেকে ২৭ জন নেতৃত্বকে নিয়ে মোর্চা অনুযায়ী দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার। সকলেই জনসংযোগের কাজ করবেন রাজ্যের মোর্চা নেতৃত্বের সঙ্গে জেলায়, বুথে এবং মন্ডলে গিয়ে। সুতরাং জয়ের জন্য যে বিজেপি সবটা দিয়ে দিচ্ছে, তা না বললেও বোঝা যায়। একবার দেখার বিষয় যে এতকিছু করার পর ফল ভালো হয় কিনা গেরুয়া ব্রিগেডের। কী হয় আগামীদিনে, তাই এখন দেখার।



By









