দেবজিৎ মুখার্জি: পহেলগাঁও কাণ্ডে মৃত সন্তোষ জগদালের কন্যা আশাবরী জগদালে দ্বারস্থ হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও মেলেনি সরকারি চাকরি। দশ মাস কেটে গেলেও মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার কথা রাখেনি।
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে ২৬ জন ভারতীয় পর্যটকদের হত্যা করে পাক সন্ত্রাসবাদীরা। তাঁদের মধ্যে একজন মহারাষ্ট্রের সন্তোষ জগদালে। মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয় যে তাদের রাজ্যের ৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে এবং সকলকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে।
আশাবরী জানান, তাঁর পিতা মুল রোজগেরে। তিনি মারা যাওয়ায় তাঁর মা ভেঙে পড়েছেন এবং তাঁর দেখাশোনা করার জন্যই তিনি বেসরকারি সংস্থার চাকরি ছেড়েছেন। বর্তমানে সঞ্চয়ের টাকায় পরিবার চলছে এবং তাও ফুরিয়ে এসেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মেলেনি সরকারি চাকরি। তাঁর অভিযোগ, চাকরি চাইতে গেলে প্রশাসনের আধিকারিকরা এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তর ঘুরিয়েছেন এবং রাজনীতিকেরা কথা দিয়ে সময় কেনেন। তবে এখনো পর্যন্ত কারোর তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি এবং মা-মেয়ের কেউ খোঁজও রাখেন না। তিনি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস ও উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে ফিরিয়ে দেন।
আশাবরী জানান যে তিনি এই ব্যাপারে রাজ্যসভার সাংসদ মেধা কুলকার্নির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একটি চিঠিও লেখা হয় সাংসদের তরফ থেকে। ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিজেপির মিডিয়া ইন-চার্জ নবনাথ বান জানিয়েছেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। তাঁর বক্তব্য, “মৃতদের পাশে দাঁড়াবে বিজেপি। আশ্বাস দিচ্ছি বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলব এবং বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেও।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়। আশাবরী চাকরি পাবেন কিনা, সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।



By












