নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি, ভারত-আমেরিকার অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে তরজায় জড়িয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি ও তাদের বিরোধী দলগুলি। গেরুয়া শিবির এর পক্ষে নিয়ে কথা বললেও বিরোধীরা তা মনে করছেন না সঠিক। এমন পরিস্থিতিতে এই নিয়ে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হল ভারত ও আমেরিকার তরফ থেকে, যাতে শুল্ক কমানোর পাশাপাশি রুশ তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত শুল্ক তুলে নেওয়ার বিষয়টিও জানানো হয়েছে।
গত সোমবার ফোনে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এবং এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই বাণিজ্যচুক্তির কথা ঘোষণা করেন। যেই ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল ভারতীয় পণ্যের উপর, তা কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। তবে প্রশ্ন থাকছিল যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হবে কিনা। পরে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয় যে তা তুলে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার অন্তর্বর্তী বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দেয় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাতে বলা হয়েছে, দু’পক্ষই শীঘ্রই ইমপ্লিমেন্ট করবে চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক ও আউটলাইন। এখানেই শেষ নয়, বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে যে এই চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক মজবুত হবে দুই দেশের মধ্যে। পাশাপাশি, এই বাণিজ্যচুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’এর তকমা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতির পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে তিনি এই বিষয়ে লেখেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা দারুন খবর ভারত ও আমেরিকার জন্য। দুই মহান দেশ সহমত হয়েছে এক অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্যচুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে। আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানাই সম্পর্ক শক্ত করার এবং ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতির জন্য।” এরপরই এর সুবিধা নিয়ে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, “এর থেকে নতুন সুযোগ তৈরি হবে কৃষক, উদ্যোক্তা, এমএসএমই, স্টার্টআপগুলির জন্য। অজস্র কর্মসংস্থান তৈরি হবে তরুণ ও নারীদের জন্য।” এবার দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কি হয়।



By










