দেবজিৎ মুখার্জি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়ে এই মুহূর্তে জোরদার আলোচনা চলছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে। বিশেষ করে বঙ্গভবনে দিল্লী পুলিশের হানা ও বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ উগরে দেওয়া আরো চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তবে গতকালের বৈঠকে ঠিক কেমন আচরণ করা হয়েছিল মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের তরফ থেকে, এবার তা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার এসআইআরের জেরে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তিনি সকলকে জানান। তৃণমূল সুপ্রিমো দাবি করেন যে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার পাশাপাশি হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, তিনি ফের এটা দাবি করেন যে কমিশন কাজ করছে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে। সেটা যে বিজেপি, তা না বললেও চলে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “টার্গেট করা হচ্ছে তৃণমূলকে। গতকাল আমাদের হুমকি দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। দুর্ব্যবহার করা হয়েছে ভিতরে। উনি আঙুল তুলে কথা বলেছিলেন অভিষেকের দিকে। চিৎকার করেছেন। আমি টেবিল চাপড়ে ওনাকে চিৎকার করতে বারণ করলাম। দাস নই আমরা আপনার। কাল আপনি নাও থাকতে পারেন চেয়ারে।” তৃণমূল সুপ্রিমো পরিষ্কার করেন, “আমি আশা করি না যে ওরা আমাদের সম্মান দেখাবে। কারণ কমিশন কাজ করছে একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে।”
এছাড়া বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দলের তরফ থেকে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এক ইঞ্চি জমি ছাড়বো না আমরা। লড়াই চালিয়ে যাব শেষ পর্যন্ত। লড়াই হবে যদি নাম বাদ যায়।” এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটাও জানিয়ে দেন যে দরকার হলে বড় আন্দোলনে নামা হবে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত তালিকা প্রকাশের পর কি করে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের আগে বাংলা বা দিল্লির মাটিতে বড়সড় কিছু করা হয় কিনা ঘাসফুল শিবিরের তরফ থেকে, এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে গোটা বাংলায়।



By









