• Home
  • জেলার খবর
  • বুধবার এসআইআর মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার এসআইআর মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: পশ্চিমবঙ্গে চলতি এসআইআরের বিরোধিতা জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো বলে ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর। যদিও রাজ্যের তরফ থেকে এই ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি এখনো পর্যন্ত।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপস্থিত থাকার অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালতের নিরাপত্তা বিভাগ। যেহেতু তিনি ‘জেড প্লাস’ সিকিউরিটি পেয়ে থাকেন, তাই এই ব্যাপারে একটি অ্যাপ্রুভাল প্রয়োজন সুপ্রিম কোর্টের সুরক্ষা উইংয়ের। জানা গিয়েছে, মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বুধবার। এখানেই শেষ নয়, আরো জানা গিয়েছে যে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্সেস ইলেকশন কমিশন’ মামলাটি লিস্টেড রয়েছে আদালতের কম্পিউটারাইজড লিস্টে ৪ ফেব্রুয়ারি। 

প্রসঙ্গত, সোমবার বৈঠক সেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একহাত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার সহ গোটা নির্বাচন কমিশনেকে। তিনি বলেন, “আমি বহুদিন রাজনীতি করেছি দিল্লিতে। মন্ত্রীও ছিলাম। কিন্তু এমন অহংকারী নির্বাচন কমিশন আগে দেখিনি।” তাদের মিথ্যাবাদী তকমা দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো প্রশ্ন তোলেন, “কেন নিশানা করা হচ্ছে বাংলাকে?” জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “বেরিয়ে এসেছি ওনার সঙ্গে বৈঠক করে। জমিদারের মতো আচরণ ওনার। আমার সঙ্গে এমন দুর্ব্যবহার কখনও কেউ করেনি। অপমান, অসম্মান করা হয়েছে আমাদের।” তিনি আরো বলেন, “এখানে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লক্ষ নাম। এই কাজ সীমা কান্না করেছেন এআই দিয়ে। আমি বলছি, প্রধানমন্ত্রীকে আপনারা জিজ্ঞেস করুন যে ওনার মা-বাবার জন্ম তারিখ জানেন কি?” পাশাপাশি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বয়কটের সিদ্ধান্তের কথাও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরেন।

তবে পাল্টা দেওয়া হয় জ্ঞানেশ কুমারের তরফ থেকেও। কমিশনের তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল আজ দেখা করেন কমিশনারের সঙ্গে। তাঁদের তরফ থেকে কিছু কথা পেশ করা হয় এসআইআর নিয়ে। জ্ঞানেশ কুমার সেই প্রশ্নের উত্তর এবং ব্যাখ্যা দেন। কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেন বা ভাঙেন, তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিবৃতিতে পাল্টা হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, “তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষা ব্যবহার করা পাশাপাশি হুমকি দিচ্ছেন। ঘটনা ঘটেছে বিডিও অফিস ভাঙচুরের। যেই কর্মকর্তারা এসআইআরের কাজ করছেন, তাঁদের উপর কোনও অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। ইতিমধ্যেই ৭ হাজার টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে বিএলওদের ১৮ হাজার টাকার মধ্যে।” পাশাপাশি, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে আরো একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেমন ৩ জন নির্বাচনী তালিকা পর্যবেক্ষককে কমিশনের পরামর্শ ছাড়া বদলি করা ও বাতিলের অনুরোধ করা সত্বেও পদক্ষেপ না নেওয়া বা এফআইআর না করা ৪ কর্মকর্তা ও এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top