দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরে নতুন মোড়! কী সেই নিউ টুইস্ট? তৃণমূল সুপ্রিমোর নিরাপত্তা বাড়াতে এবং জোরদার করার লক্ষ্যে রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দিতে চলেছেন রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। পুরো বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা যে এবার আলাদা জায়গায় গিয়ে পৌঁছাবে, তা মনে করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহল। বলা ভালো, ব্যাপক হইচই পড়বে।
সোমবার সকালে রাজধানীর বঙ্গভবনে যে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, অর্থাৎ দিল্লী পুলিশের থানা দেওয়া এবং প্রত্যেক ঘরে তল্লাশি চালানো, তার উপর সকাল থেকেই লক্ষ্য রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে তারা সেই জায়গা ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে তা দেখে তাঁরা মনে করেন যে মুখ্যমন্ত্রী ও বঙ্গভবনের বাড়তি নিরাপত্তা দরকার এবং সেই মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে রাতেই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন রাজ্য পুলিশের ২২ জনের এক প্রতিনিধি দল। জানা গিয়েছে, সেই দলে থাকছেন ডিসিপি ও অন্যান্য পদমর্যাদার অফিসার থেকে শুরু করে কনস্টেবল ও মহিলা পুলিশ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে মঙ্গলবার সকাল থেকে তাঁদের অ্যাকশন মোডে দেখা যাবে।
প্রসঙ্গত, দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে, এসআইআরের কারণে কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্তকে সঙ্গে নিয়ে, রাজধানীতে গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্তরা রয়েছেন বঙ্গভবনে। তবে সোমবার সকালে হঠাৎই রাজধানীর পুলিশের তরফ থেকে ঘিরে ফেলা হয় চাণক্যপুরী ও হেইলি রোডের বঙ্গভবন। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। শুধু তাই নয়, প্রত্যেকটা ঘরে তল্লাশি পর্যন্ত চালানো হয় বলে অভিযোগ।
খবর পেয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাসভবন থেকে বেরিয়ে দিল্লী পুলিশকে একহাত নেন এবং রওনা দেন চানক্যপুরীর বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে। সেখানে পৌঁছেই পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ান তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁকে সঙ্গ দেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানকার বঙ্গভবনে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। হেইলি রোডের বঙ্গভবনে গিয়েও পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রতিবাদে বঙ্গভবন ছাড়তে বাধ্য হয় দিল্লী পুলিশ।



By









