দেবজিৎ মুখার্জি: নবম বাজেটে কেন্দ্রের তরফ থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হলো মিলিটারি সেক্টরকে। কী করা হয়েছে এবার? ভারতবর্ষের ইতিহাসে চলতি বছরের বাজেটে মিলিটারি সেক্টরে হয়েছে সর্বোচ্চ অ্যালোকেশন। গত বছর এই সেক্টরে বরাদ্দ ছিল ৬ লক্ষ ৮১ হাজার কোটি টাকা। তবে এবার তা বেড়ে হল ৭ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ শতাংশ।
এই বছরের মিলিটারি বাজেটের বিশেষ ব্যাপার হল সেনাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে ক্যাপিটাল সেক্টরে বিশাল বৃদ্ধি। গত বছর ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা ছিল এর পরিমাণ এবং এই বছর তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ জমা থাকে প্রতিরক্ষা তহবিলে, যা কাজে লাগে অত্যাধুনিক অস্ত্র, টেকনোলজি ও মিলিটারি প্রোডাকশনের ক্ষেত্রে।
মনে করা হচ্ছে এই অর্থ কাজে লাগানো হতে পারে ১১৪টি রাফালে বিমান এবং পঞ্চম প্রজন্মের এসইউ-৫৭ স্টিলথ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য। পাশাপাশি, সরকারের তরফ থেকে জোর দেওয়া হবে মেক ইন ইন্ডিয়ার দ্বারা স্বদেশী প্রতিরক্ষা উৎপাদনের উপর। এছাড়া অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে যাতে অন্য দেশের উপর নির্ভর না করে থাকতে হয়, তার জন্য আর্থিক সুরক্ষা দেওয়া হবে ভারতীয় ডিফেন্স সংস্থাগুলিকেও।
বলে রাখা ভালো, দেশের যা টোটাল বাজেট, তার একটা বড় অংশ যায় মিলিটারি বাজেটে। ২০২৩ সালে, সেই পরিমাণ ছিল ২.৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে আবার মিলিটারি বাজেট বাড়লেও, তার একটা বড় অংশ খরচা হয় সেনাকর্মীদের পেনশন দেওয়ার ক্ষেত্রে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারের খরচ হবে ১ লক্ষ ৭২ হাজার কোটি টাকা মিলিটারি সেক্টরে ২০২৬-২৭ সালে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে বিশ্বের একাধিক দেশের মত ভারতও করছে যুদ্ধ। চীন ও পাকিস্তান ভারতবর্ষের পুরনো শত্রু। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়েছে বাংলাদেশেরও। সেই পরিস্থিতিকে মাথায় রেখেই সরকারের তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার দেখার বিষয় যে আগে কি হয়।



By










