দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যের পরিবেশ পাল্টে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও গেরুয়া শিবির একে অপরকে রোজ কোন না কোনভাবে এই বিষয়টি নিয়ে আক্রমণ করে চলেছে। যদিও এই সবকিছুর মাঝেও দুই দলই আসন্ন ভোটে জয় নিয়ে আশাবাদী। দুজনেই দাবি করেছে যে এবার তারাই ক্ষমতায় আসবে।
এমন পরিস্থিতিতে বড়সড় ঘটনা ঘটল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুরে। কী ঘটেছে সেখানে? সেই বিধানসভা কেন্দ্রে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটারের নাম। খবর তৃণমূল সুপ্রিমোর কানে পৌঁছাতেই তিনি দ্রুত বৈঠক ডেকেছেন সকল স্থানীয় কাউন্সিলর ও বিএলএ-২ দের নিয়ে। জানা গিয়েছে, বৈঠকটি হবে কালীঘাটের দলীয় কার্যালয় সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ। প্রথম দফায় মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায় বসবেন কাউন্সিলরদের সঙ্গে এবং দ্বিতীয় দফায় বিএলএ-২ দের সঙ্গে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা ফিরাদ হাকিম, সুব্রত বক্সীদের মতো হেভিওয়েট নেতাদেরও।
প্রসঙ্গত, এসআইআর ইস্যুতে প্রথম থেকেই আওয়াজ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে কেন্দ্রের উদ্দেশ্য এর দ্বারা এনআরসি করানো। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে একজন বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়লে রাজধানীতে আন্দোলন হবে। সংসদেও দলীয় সাংসদরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি এবং পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল শিবিরের দিকে। যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলায় এসআইআর শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা একেবারে তুঙ্গে পৌঁছেছে। একে অপরকে লাগাতার কটাক্ষ করে চলেছে তৃণমূল ও বিজেপি। দুজনেই বিশ্বাস করে যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জয় তাদের দলেরই হবে। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত জল গড়ায়।



By









