• Home
  • জেলার খবর
  • যুবসাথী-লক্ষীর ভান্ডারের চরম গ্রহণযোগ্যতা, চিন্তা বাড়ছে বিজেপির

যুবসাথী-লক্ষীর ভান্ডারের চরম গ্রহণযোগ্যতা, চিন্তা বাড়ছে বিজেপির

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: বিধানসভা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। জোরকদমে চলছে শাসক থেকে বিরোধী, দুই শিবিরের প্রচার। তবে ভোটের আগে গেরুয়া ব্রিগেডের চিন্তা বাড়িয়েছে লক্ষীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বাড়ানো এবং যুবসাথী প্রকল্প। কেন্দ্রের তরফ থেকে একটি সমীক্ষা দল নামানো হয়েছে এর প্রভাব বুঝতে। তবে জানা গিয়েছে যে দুই প্রকল্পই আকৃষ্ট করেছে যুব ও নারী সমাজকে। 

বিজেপি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে জেলা ধরে ধরে সার্ভে টিম কথা বলছেন উপভোক্তাদের সঙ্গে এবং নথিভুক্ত করছেন তাঁদের সন্তুষ্টি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মনোভাবের পরিবর্তন ও ভোটের সিদ্ধান্তে তার প্রভাব, সবটাই। শুধু তাই নয়, সরকারের বিরুদ্ধে কোথাও ক্ষোভ রয়েছে কিনা, তাও নথিভুক্ত করা হচ্ছে। তবে জানা যাচ্ছে যে শহর ও গ্রাম, দুই জায়গাতেই লক্ষীর ভান্ডার ও যুবসাথীর গুরুত্ব বা গ্রহণযোগ্যতা চরম। এই রিপোর্ট অনুযায়ী গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা রাজনৈতিক ছক কষবেন। কোথায় কি নিয়ে প্রচার চালানো হবে, তা নির্ভর করছে প্রকল্পগুলির প্রভাব সংক্রান্ত রিপোর্টের উপর।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি যতই এই প্রকল্পগুলিকে কটাক্ষ করুক না কেন, কিন্তু এর গ্রহণযোগ্যতা যে অন্য মাত্রায় পৌছে গিয়েছে, তা তারা নিজেরাও বুঝতে পেরেছে। মনে করা হচ্ছে যে এই প্রকল্পগুলির জেরে আরো আসন নিজের ঝুলিতে তুলতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস এবং সেক্ষেত্রে যে চাপ আরো বাড়বে বঙ্গ বিজেপির, তা বলাই বাহুল্য।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বাড়ানো থেকে শুরু করে যুবসাথী প্রকল্প ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, যা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা এই মুহূর্তে বঙ্গে আলাদা পর্যায়ে চলে গিয়েছে। বিজেপি এগুলি নিয়ে কটাক্ষ করলেও ঘাসফুল শিবির দাবি করে যাচ্ছে যে এই প্রকল্পগুলি থেকে লাভবান হবেন বাংলার নাগরিকরা। এবার দেখার বিষয় যে শাসক শিবিরের তরফ থেকে যা দাবি করা হচ্ছে, তা সত্যি হয় কিনা।

Scroll to Top