• Home
  • Uncategorized
  • পঞ্চায়েত এলাকায় পরিবার পিছু বছরে ১২০০ টাকা কর? বিভ্রান্তিকর খবরে জল ঢালল নবান্ন, প্রত্যাহার SOP

পঞ্চায়েত এলাকায় পরিবার পিছু বছরে ১২০০ টাকা কর? বিভ্রান্তিকর খবরে জল ঢালল নবান্ন, প্রত্যাহার SOP

Image

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি বা পরিবার পিছু বার্ষিক ১২০০ টাকা কর ধার্য করা হয়েছে— সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের একটি খবরে তীব্র জল্পনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। অবশেষে এই খবরের সত্যতা সামনে এনে বিভ্রান্তি দূর করল রাজ্য সরকার। বুধবার একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন (P&RD) দপ্তর সাফ জানিয়ে দিল, এই সংক্রান্ত খবরটি সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’ (Fake News)

পঞ্চায়েত এলাকায় কর কাঠামোয় নতুন করে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি বা এই সংক্রান্ত কোনও নতুন নির্দেশিকাও জারি করা হয়নি।

নবান্নের স্পষ্ট বার্তা: ‘পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩’ অনুযায়ীই চলবে কর ব্যবস্থা

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ‘পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩’-এর কর-সংক্রান্ত বিধি বা নিয়মে কোনও ধরনের রদবদল ঘটানো হয়নি। গ্রামীণ এলাকায় পূর্বে যে নিয়ম কার্যকর ছিল, বর্তমানেও ঠিক সেই পুরনো নিয়মাবলীই বলবৎ রয়েছে।

এক নজরে মূল বিষয়সমূহ:
• ভুয়ো খবর: পঞ্চায়েত এলাকায় বছরে ১২০০ টাকা কর চালুর দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
• কর কাঠামো: কর ব্যবস্থায় নতুন করে কোনো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
• কার্যকর আইন: ‘পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩’-এর পুরনো বিধিই কার্যকর থাকছে।
• SOP প্রত্যাহার: ভুল ব্যাখ্যার কারণে অর্থ কমিশনের সুপারিশে তৈরি SOP তুলে নিল দপ্তর।

কেন তৈরি হলো বিভ্রান্তি? প্রত্যাহার করা হলো বিতর্কিত SOP

প্রশাসন সূত্রে খবর, সম্প্রতি ষোড়শ অর্থ কমিশনের (16th Finance Commission) সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ বা SOP জারি করেছিল। ওই নির্দেশিকায় ১৯৭৩ সালের পঞ্চায়েত আইনের বিভিন্ন ধারায় উল্লিখিত কর-সংক্রান্ত নিয়মাবলী সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।

তবে সেই SOP-র ভুল ব্যাখ্যা করে সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রাজ্য দপ্তর জানায়, যেহেতু ওই SOP-র কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে, তাই বিতর্ক এড়াতে দপ্তর নির্দেশিকাটি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত ও স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।

মূলত বকেয়া কর আদায়ের সময়সীমা নির্ধারণ এবং কর সংগ্রহের হার বাড়াতে পঞ্চায়েত স্তরে শিবির করার পরিকল্পনা ছিল প্রশাসনের, যা নিয়ে ভুল তথ্যের সৃষ্টি হয়েছিল। সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, এই ধরনের বিভ্রান্তিকর খবরে যেন কেউ কান না দেন।

______

Scroll to Top