দেবজিৎ মুখার্জি, পশ্চিম মেদিনীপুর: বিপদ কি বাড়তে চলেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের? তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী থানার তরফ থেকে। ঘটনাটি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ছড়িয়েছে জোর চাঞ্চল্য। পাশাপাশি এই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে যে সুমিত রায়কে গ্রেফতার করা হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে কোনও বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসবে কিনা।
পশ্চিমবঙ্গে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে নানাভাবে চাপে পড়ে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অন্দরে হোক কি বাইরে, সব জায়গাতেই তাঁর বিরুদ্ধে উঠে চলেছে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ। যদিও দলের তরফ থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে সমস্যার সমাধানের। পাশাপাশি, বিরোধীদের কটাক্ষের মুখেও তাঁকে সহ গোটা দলকে পড়তে হচ্ছে লাগাতার।
এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। তাঁর খোঁজে ডায়মন্ড হারবার সাংসদের কালীঘাটের বাড়িতে প্রায় চার ঘন্টা তল্লাশি চালায় শালবনী থানার পুলিশ। তবে তাঁর খোঁজ মেলেনি। সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থানও জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের তরফ থেকেও এই তল্লাশির তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
এবার এই আর্থিক প্রতারণার মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে শালবনী থানা। থানা সূত্রের খবর, শনিবার তল্লাশি অভিযান চালানোর পর সুমিত রায়ের খোঁজ না মেলায় আবেদন করা হয়েছিল আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির এবং তাতে সবুজ সংকেতও দেয় কোর্ট। এবার দেখার বিষয় যে এর থেকে কি বেরিয়ে আসে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংক্রান্ত বিস্ফোরক কিছু বেরিয়ে আসে কিনা, এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে গোটা রাজনৈতিক মহলে। সেক্ষেত্রে এবার দেখার যে আগে কি হয়।



By










