দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বিহারের রাঁচির ভিডিও মৌলালির বলে চালানোর চেষ্টা করায় বামেদের তোপ রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের। কী বললেন তিনি? গেরুয়া শিবিরের দাবাং নেতা বামেদের ‘অ্যান্টিসোশ্যাল’ বলেন। তাঁর বক্তব্য, ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর সঙ্গে যুক্তদের গ্রেফতার করা উচিত এবং করাও হবে। ইতিমধ্যেই সৃজন ভট্টাচার্য, দেবাঞ্জন দে সহ তিনজনের বিরুদ্ধে লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থনে গত শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় বিক্ষোভ দেখায় সিজেপি ও বাম সংগঠনগুলি। তবে তাদের বিক্ষোভ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো-জলের বোতল। অন্যদিকে পুলিশও লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের সাহায্য নেয় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে। আক্রান্ত হন বিক্ষোভকারী থেকে শুরু করে পুলিশ ও সাংবাদিক সকলেই।
এরপরই বামেরা একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে দেখা যায়, বিজেপির পতাকা লাগানো একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে কয়েকজন যুবক টমেটো, ইট ছুঁড়ছেন মিছিলে। বামেদের বক্তব্য, ভিডিওটি কলকাতার মৌলালির। পরে জানা যায়, তা রাঁচির। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে বামেদের একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “যারা ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে বাংলাকে বদনাম করছে, তাঁরা অ্যান্টিসোশাল। গ্রেপ্তার করা উচিত এদের। করাও হবে।”
এরপর সৃজন ভট্টাচার্য, দেবাঞ্জন দে সহ তিনজনের বিরুদ্ধে লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সৃজন বলেছেন, “আমরা পরে ফ্যাক্ট চেক করে জানতে পেরেছি যে মৌলালির নয় ভিডিওটা। তবে এটাও ঠিক যে ভিডিওটি কিন্তু মিথ্যে নয়। ওই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির লোকেরা মিছিলকে লক্ষ্য করে টমেটো, ইট ছুঁড়েছে। ঘটনাটি যেখানেই ঘটে থাকুক, তা একইরকম নিন্দনীয়।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কী হয়। জল কতদূর গড়ায় বা আগামীদিনে কী হয়, এই সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে রাজ্যের রাজনীতিতে।



By










