দেবজিৎ মুখার্জি: ২০২৪ সালের আরজি কর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত যেই সিবিআই অফিসারের নেতৃত্বে হয়েছে, তিনি এবার রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। তিনি তা পাবেন সাধারণতন্ত্র দিবসে। তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জয়েন্ট ডিরেক্টর ভি চন্দ্রশেখর।
প্রত্যেক বছর সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রের তরফ থেকে সম্মান জানানো হয় রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন কর্তা ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। তাঁদের দেওয়া হয় পদক। মূলত এই পদক দেওয়া হয় দুটি বিষয়ে – প্রথমটি মেডেল অব ডিসটিঙ্গুইশড সার্ভিস, যা দেওয়া হয় কাজে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এবং দ্বিতীয়টি মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস, যা দেওয়া হয় চমকপ্রদ অবদানের জন্য। এই বছর মোট ৩১ জন অফিসার রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন, যাঁর মধ্যে একজন ভি চন্দ্রশেখর।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ঘটে আরজি কর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনা জনসম্মুখে আসতেই গোটা রাজ্যজুড়ে চলতে থাকে তোলপাড়। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে পড়তে হয়েছিল বিরোধীদের নিন্দার মুখে। বলা ভালো, এই ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। এখনো ঘাসফুল শিবিরকে বিরোধীদের কটাক্ষ শুনতে হয়। যদিও তারাও পাল্টা দেয় বিরোধীদের।
তবে ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো তান্ডব চলে রাজ্যে। বহু সাধারণ মানুষ পথে নেমে প্রতিবাদ জানান। রাত দখল থেকে শুরু করে দ্রোহের কার্নিভাল, অনশন, সবকিছুই হয়। এমনকি নবান্ন অভিযান পর্যন্ত করা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় জামিন পান হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মন্ডল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয় ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে। এখনো মৃত মহিলা চিকিৎসকের মা-বাবা প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার দেখার আগে কি হয়।



By










