তৃণমূলের প্রতীক নিয়ন্ত্রণের বিবাদে প্রথম রাউন্ডে সম্ভাব্য জয় কালীঘাট শিবিরের। রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে ‘ঘাসফুল’ প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকার সম্ভাবনাও ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এখনও কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না দেওয়ায় কালীঘাট শিবির এই দাবি করছে।
শনিবার কালীঘাট শিবির ও ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য শোনার পর কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি, বরং কালীঘাট শিবিরকে ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর ফের তলব করা হয়েছে। কালীঘাট শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তথ্য জানিয়েছেন। এর ফলে ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে কোনও নির্দেশনা আসার সম্ভাবনা কম, ফলে ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় থাকবে, যা কালীঘাট শিবিরের পক্ষে লাভজনক।
কালীঘাট শিবিরের যুক্তি, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘জোড়াফুল’ প্রতীক দিয়েছিলেন, তাই উপনির্বাচনেও দলের প্রতীকের অধিকার তাঁরই থাকবে। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ হওয়ায় এই সময়ের মধ্যে প্রতীক কালীঘাট শিবিরের দখলে থাকবে।
বৈঠকের পর কালীঘাট শিবির কমিশনকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছে যে, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথিপত্রের সঠিক তথ্য মমতা শিবিরকে এখনও জানানো হয়নি। এছাড়া কমিশনের ওয়েবসাইটেও তৃণমূলের সর্বশেষ সংবিধান পাওয়া যায়নি।
ডেরেক ও ব্রায়েনের চিঠিতে বলা হয়েছে, তৃণমূলের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ২০২৭ সালে চেয়ারপার্সন নির্বাচন হওয়ার কথা এবং বর্তমানে সরকারি স্বীকৃত একচ্ছত্র চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। ঋতব্রত শিবিরের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন নিয়ে অভিযোগকেও অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই চিঠির পর কমিশন আবারও মমতা শিবিরকে তলব করেছে।



By












