দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের সাথে সাক্ষাতের কথা রয়েছে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার। দলের বিদ্রোহী সাংসদদের নিজেদের এনসিপিআইয়ের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার ঘোষণাকে ঘিরে অভিষেকের বৈঠক করার কথা স্পিকারের সাথে। এটিকে ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে।
পশ্চিমবঙ্গে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে নানারকম সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে প্রাক্তন শাসকদল। বিষয়টি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে দল পর্যন্ত ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের এনসিপিআইয়ের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন, যা নিয়ে যেমন অস্বস্তি বেড়েছে কালীঘাটের তৃণমূলের, তেমনি তারা পড়েছে প্রশ্নের মুখেও। এক কথায় বলতে গেলে পরাজয়ের সাথে সাথে তাসের ঘরের মতো ভাঙছে তৃণমূল। বিষয়টি আইনি পর্যায়েতেও চলে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সাথে আলোচনা করতে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ এক আলাদা মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। কী হতে চলেছে এবার বা কী পরিকল্পনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের, এই সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। বলা ভালো, এখন অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এটি।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “ওঁরা যে দলত্যাগ বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছেন, এই মর্মে অভিষেকের পাঠানো আগের চিঠির সূত্র ধরেই এই বৈঠক। বিকেল ৫টায় সংসদ ভবনে অভিষেক, মহুয়া মৈত্র ও আমার মতো অন্যান্য সাংসদেরা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করব। যাঁরা দল ছেড়েছেন, তাঁদের সদস্যপদ বাতিলের দাবির পক্ষে আমরা আমাদের যুক্তি তাঁর কাছে তুলে ধরব।” এবার দেখার বিষয় যে জল কতদূর গড়ায়। বৈঠকের পর নতুন কিছু দেখা যায় কিনা, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল।



By










