দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: চাপ বাড়ছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সই জাল কাণ্ডে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে সিআইডি। কী সেই পদক্ষেপ? পরপর তিনবার হাজিরা এড়ানোয়ে তাঁর গতিবিধির খোঁজে তারা যোগাযোগ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শুধু তাই নয়, পরে কি হতে চলেছে, সেটাও এই মুহূর্তে একটা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে যেভাবে গোটা পর্ব এগোচ্ছে, তাতে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা যে কলকাতা ফিরলেই গ্রেফতার করা হতে পারে তৃণমূলের সেনাপতিকে। যদিও এক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টে করা মামলাটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হতে পারে। রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। আজ সম্ভবত সেই মামলার শুনানি। সুতরাং এখন তাঁর ভাগ্য ঝুলে রয়েছে আদালত কি বলে, তার উপর।
প্রসঙ্গত, ‘সই জাল কাণ্ডে’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে নোটিস পাঠিয়েছিল সিআইডি। অন্যদিকে এই ঘটনায় ঘাসফুল শিবিরের তরফ থেকে বহিষ্কার করা হয় দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে, যার থেকে অভিষেক ঘটে ‘নব তৃণমূল ব্লক’এর। দিন যত যাচ্ছে, ততই বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি বেড়ে চলেছে প্রাক্তন শাসকদলের।
এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কী হয়। গোটা পর্বে নতুন কোনও টুইস্ট আসে কিনা, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তবে বর্তমানে রাজ্যবাসী সহ রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। যেভাবে লাগাতার তাঁকে তলব করে চলেছে সিআইডি, বলা ভালো, যেভাবে তিনি জালে জড়িয়ে যাচ্ছেন, তাতে এরপর কি হতে পারে, তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা পৌঁছেছে চরমে।



By










