দেবজিৎ মুখার্জি: বেশি সংখ্যক না হলেও কয়েক হাজার বাঙালি বাস করেন ঐতিহাসিক বারাণসী শহরে। কিন্তু এবার সেখানকার মাছ-মাংস ব্যবসায়ীদের মাথায় পড়ল বাজ! কী কারণে? তার বাইরে সরানো হবে আমিষের দোকান। ইতিমধ্যেই সেখানকার পৌরনিগমের তরফ থেকে এই প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। শুধু মাছ-মাংস ব্যবসায়ীরাই নন, মাথায় হাত পড়েছে বহু উপভোক্তাদেরও।
সম্প্রতি, বারাণসী পৌরনিগমের তরফ থেকে একটি বৈঠক করা হয় মেয়র অশোক কুমার তিওয়ারির নেতৃত্বে, যেখানে সিলমোহর পড়েছে মাছ-মাংসের দোকান সরানোর প্রস্তাবে। পৌরনিগমের শীর্ষ আধিকারিকদের বক্তব্য, সেই কাজ আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হবে। পৌর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল সদনকে জানান, পাঁচটি স্থান প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। বাসিন্দাদের অসুবিধার কমানোর স্বার্থে এই স্থানগুলি শহরের বাইরে হলেও নির্বাচন করা হয়েছে সীমানার কাছেই।
পরিকল্পানুসারে, বর্তমানে যেই মাছ-মাংসের দোকানগুলি চালু আছে শহরের সীমার মধ্যে, তা স্থানান্তরিত করা হবে রামনগর, সুজাবাদ, গণেশপুর, অবলেশপুর এবং শিবপুরের নির্ধারিত অঞ্চলে। কর্মকর্তাদের বক্তব্য, এর লক্ষ্য নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিছন্নতার পাশাপাশি উন্নত করা যান চলাচল ব্যবস্থা। বারাণসী পৌর সংস্থা আধিকারিকদের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাইরে মাছ-মাংসের দোকানগুলি স্থানান্তরিত করা হলে পৌর পরিষেবা সুগঠিত হবে। এবার দেখার যে শেষ পর্যন্ত কি হয়।
প্রসঙ্গত, বারাণসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র। সেখানে এই জাতীয় সিদ্ধান্তের কেমন প্রভাব পড়বে, সেটাই একটা বড় প্রশ্ন, যা ঘোরাফেরা করছে জাতীয় রাজনীতিতে। সেক্ষেত্রে দেখার যে আগামীদিনে এই পর্বে আর কী দেখা যায়। কী হতে চলেছে আগামীদিনে? তা বলবে সময়।



By












