দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেলো রাজ্য। কী সেই ধাক্কা? প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলির বিরোধিতা করে যে মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছিল, তাতে কলকাতা হাই কোর্টের তরফ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। তারা খারিজ করে দিল মামলাগুলি। সুতরাং ভোটের আগে কমিশনের বদলি সিদ্ধান্ত জারি থাকল।
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের পর থেকে একের পর এক বদলি করে চলেছে কমিশন, যা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে বাংলায়। প্রতিনিয়ত বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা। যদিও ঘাসফুল শিবিরের তোলা যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে অপরপক্ষ। গেরুয়া শিবিরের মতে কমিশন একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিষয়টির জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অর্ক কুমার নাগ এবং বদলিতে স্থগিতাদেশের আবেদন জানান। কোর্টে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ, তথা বিশিষ্ট আইনজীবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করেছিলেন আবেদনকারীর পক্ষে। সোমবার আরো একটি মামলা দায়ের করা হয় ২৬৭ জন আধিকারিককে সরানোর বিরোধিতা করে।
তবে শেষমেষ যাবতীয় সবকিছু খতিয়ে দেখে আদালতের তরফ থেকে দুটি মামলাই খারিজ করে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলের মতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এমনটা হওয়া রাজ্য সরকারের কাছে একটা ধাক্কার সমান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এখানেই থেমে যাবে না রাজ্য সরকার এবং বড় কিছু করার পরিকল্পনা করতে পারে তারা। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই অধ্যায়ে আর কি হয়। কমিশন কি করে বা তার পালটা রাজ্য সরকার কি করে, এই সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে এবং সেদিকেই নজর থাকবে সকল রাজ্যবাসীর।



By










