দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নদীয়ার রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজে ভোট প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। জায়েন্ট স্ক্রিনে এক ভিডিও বা বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত। তাতে আপত্তি জানান প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক ও ভোটকর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, এরপর তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ঘটনা সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন এবং নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, মুখ খুলে প্রতিবাদ জানানো সাহস দেখিয়েছিলেন বলেই সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এমনটা হয়েছে। পাশাপাশি, বিষয়টিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাসের সংস্কৃতি বলেও তিনি দাবি করেছেন।
শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা এটি নয়। এটি তৃণমূলের সেই সন্ত্রাসের সংস্কৃতি। যেখানে একজন সাধারণ শিক্ষকও মারধর ও হুমকির শিকার হন তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের সময় এবং নির্ধারিত কর্তব্য সাংবিধানিকভাবে পালন করতে গিয়ে।” তাঁর সংযোজন, “এক আইনহীন রাজ্যে বর্তমানে পরিণত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। যেখানে কিছু গুন্ডারা প্রশাসন চালায়।”



By










