• Home
  • ভ্রমণ
  • দার্জিলিঙের ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে শান্তিতে ছুুটি কাটাবেন? বেছে নিন পাইন বন ও চা-বাগানে ঘেরা এই ৩ অফবিট ঠিকানা

দার্জিলিঙের ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে শান্তিতে ছুুটি কাটাবেন? বেছে নিন পাইন বন ও চা-বাগানে ঘেরা এই ৩ অফবিট ঠিকানা

Image

শৈলশহর দার্জিলিং এখন আর আগের মতো শান্ত-নিরালা নেই। বছরের ১২ মাসই কাঞ্চনজঙ্ঘা, চা-বাগান আর টয়ট্রেনের এই শহরে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে। অনিয়ন্ত্রিত কমার্শিয়াল কনস্ট্রাকশন, মল রোড এবং বাজারের জ্যাম দেখে অনেকে আজকাল শহরের তুলনা টানেন কলকাতার ধর্মতলার সঙ্গে।

আপনিও কি পাহাড়ের রূপ উপভোগ করতে চান অথচ শহরের এই ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে চলতে চান? তবে দার্জিলিং শহরের খুব কাছেই গড়ে ওঠা এমন ৩টি প্রাকৃতিক অফবিট গন্তব্যের সন্ধান দেওয়া হলো, যেখানে পাইন বন, চা-বাগান এবং কাঞ্চনজঙ্ঘা আপনার সঙ্গী হবে।

১. লেবং (Lebong)

দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ৬-৭ কিলোমিটার দূর লেবং যেন প্রকৃত অর্থেই শান্তির ঠিকানা। বড় বড় হোটেল এখনও সবুজ উপত্যকার সৌন্দর্য নষ্ট করেনি। এখানে পাহাড়ের ঢালে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন হোমস্টে।

  • কীভাবে ঘুরবেন: লেবং-এ থেকে খুব সহজেই আপনি সকালে গাড়ি নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন বাতাসিয়া লুপ, হ্যাপি ভ্যালি চা-বাগান এবং ঘুম মনাস্ট্রি।
  • বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ি পথে হাঁটার সময় ঘন সবুজ চা-বাগান, মেঘ-কুয়াশার লুকোচুরি এবং হরেক রকমের পাহাড়ি পাখির ডাক আপনাকে মুগ্ধ করবে।

২. তাবাকোশি (Tabakoshi)

মিরিকের কাছে অবস্থিত গোপালধারা চা-বাগানের কোলঘেঁষে গড়ে উঠেছে সবুজে ঘেরা এক সুন্দর উপত্যকা—তাবাকোশি। দার্জিলিং শহর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা প্রায় ৩৮০০ ফুট।

  • পরিবেশ ও আবহাওয়া: সারা বছরই এখানকার আবহাওয়া বেশ ফুরফুরে থাকে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি রংভাং নদী।
  • সাইটসিয়িং: তাবাকোশি থেকে খুব কাছেই রয়েছে লেপচাজগৎ, জোড়পোখরি এবং ভারত-নেপাল সীমান্তের পশুপতি মার্কেট।

৩. ঋষিহাট (Rishihat)

দার্জিলিং থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছোট্ট একটি পাহাড়ি গ্রাম হলো ঋষিহাট।

  • আকর্ষণ: চা-বাগানে ঘেরা এই গ্রামে স্থানীয়দের ছোট ছোট কাঠের বাড়ি এবং হাতেগোনা কয়েকটি শান্ত হোমস্টে রয়েছে।
  • অভিজ্ঞতা: কোলাহলমুক্ত পরিবেশে হিমালয়ের অপরূপ রূপ এবং চা-বাগানের শ্যামলিমা উপভোগ করতে চাইলে ঋষিহাট হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

________

Scroll to Top