বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শিরোনামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই এলাকা। এবার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রকাশ্য রাস্তায় শ্লীলতাহানি ও জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠল। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দুই নাবালককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ।
এলাকায় পরপর এই ধরণের ঘটনায় নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
ভাইয়ের সামনেই পথ আটকে অশালীন আচরণ
বুধবার ওই ছাত্রী তার ছোট ভাইকে স্কুল থেকে বাড়ি নিয়ে ফিরছিল। সেই সময় রাস্তায় দুই নাবালক তার পিছু ধাওয়া করে। এরপর তারা প্রকাশ্য রাস্তায় ওই ছাত্রীর পথ আটকায়। অভিযোগ, তারা নাম ও ফোন নম্বর দাবি করার পাশাপাশি ছাত্রীর সঙ্গে তীব্র অশালীন আচরণ করতে থাকে। হাত ধরে টানাটানি করে জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
অকুস্থলে নির্যাতিতার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে ঘটনাস্থলেই এক অভিযুক্তকে ধরে ফেলে জনতা। পরে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগের পর রাতে পলাতক অপর নাবালককে পুলিশ আটক করে গ্রেপ্তার করে।
“মেয়েদের সুরক্ষা কোথায়?” প্রশ্ন ক্ষুব্ধ পরিবারের
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা জানান, “ক্লাসের মধ্যেই গা ঘেষাঘেষি করছিল। এরপর আমার মেয়ে ভয় পেয়ে দ্রুত বাড়ি চলে আসতে চেয়েছিল। সেই সময় ওর ফোন নম্বর চায়, হাত ধরে টানাটানি করে। এই রকম করলে মেয়েদের সুরক্ষা কোথায়?”
নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কড়া শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। একের পর এক অপরাধের ঘটনায় বারুইপুর থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও নারী সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
________



By










