দেবজিৎ মুখার্জি, উত্তর ২৪ পরগনা: বনগাঁয় টলি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থার ঘটনায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রীকে। এরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সন্ধ্যাবেলায়। তবে বেডে শুয়েও তিনি অভিনেত্রীকে না ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও সেই হুশিয়ারিকে গুরুত্ব দেননি ঘাসফুল শিবিরের প্রাক্তন সাংসদ। তিনি রীতিমতো তা উড়িয়ে দিয়েছেন।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ধৃত তনয় শাস্ত্রী বলেছেন, “আমি মিমি চক্রবর্তীকে ছাড়বো না।” সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে। তবে জ্যোতিষীর এই হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না মিমি। নিজের অবস্থানে তিনি জানিয়েছেন যে যাঁকে এত ফুটেজ দেওয়া উচিত নয়, তাঁকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই আমরা একটা লোককে ততটা ফুটেজ দিয়ে ফেলেছি, যতটা দেওয়া উচিত নয়।”
প্রসঙ্গত, নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে পুরো ঘটনাটি তুলে ধরেন মিমি চক্রবর্তী। গত রবিবার বনগাঁর নয়া গোপাল গুঞ্জ যুব সংঘের অনুষ্ঠানে তিনি নির্ধারিত সময়ের থেকে ঘন্টাখানেক পরে পৌঁছান। অভিযোগ, তিনি দেরিতে এসেছিলেন বলে পারফরম্যান্সের মাঝে জোর করে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি, তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য যাঁরা অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। যদিও উদ্যোক্তারা পাল্টা মিমির দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন। তাদের বক্তব্য, অভিনেত্রী দেরিতে পৌঁছানোতে জনতার ধৈর্য ভাঙ্গে এবং তাঁকে পারফর্ম করতে দেওয়া হয়নি আর। এরপরই পুলিশ তদন্তে নামে।
বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় তনয় শাস্ত্রীকে। এদিন পুলিশ যখন তনয় শাস্ত্রীকে আটক করতে এসেছিলেন, তখন মহিলারা জড়ো হন এবং পুলিশকে আটকানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। শেষে ঠেলাঠেলি করে বাড়িতে ঢুকতে হয় পুলিশকে এবং তারপর তনয় শাস্ত্রীকে বাইরে নিয়ে আসা হয় আটক করে। যদিও সূত্র মারফত জানা পারা যায় যে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার জন্য আটক করা হয়েছে দুজনকে।



By










